আক্বিদা

তাকফিরী - খারেজীদের উভয় সংকট

ইজহারুল ইসলাম বুধ, 22 ফেব., 2023
27

নজদী - খারেজীদের উভয় সংকট বোঝার আগে তাদের তাকফিরের কিছু মূলনীতি বোঝা দরকার।

১। তাদের সমস্ত চিন্তা ও দর্শনের মূল ভিত্তি হলো আমল বা কর্মকে ঈমানের অংশ বানান। তাদের মতে, শুধু কর্মের কারণেই ব্যক্তির ঈমান চলে যাবে। তার অন্তরের নিয়ত যাই থাকুক। এক্ষেত্রে অন্তরের কুফুরী, কর্মের কুফুরী ও বক্তব্যের কুফুরী সবই সমান। এজন্য তাদের মতে, কোন ব্যক্তি মুখে যতই ঈমানের দাবী করুক, অন্তরে যতই ঈমান রাখুক, তাদের নির্ধারিত কুফুরী কর্মে লিপ্ত হলে তাকে কাফের বা মুরতাদ গণ্য করতে হবে। যদিও এই ব্যক্তি মসজিদে নামাজ রত থাকুক। এরপরও তাকে মুরতাদ হিসেবে হত্যা করা যাবে।

২। শুধু আমল বা কর্ম যখন ব্যক্তির মুরতাদ হওয়া বা না হওয়ার মানদন্ড, এজন্য তারা বিশেষ বিশেষ কর্মের তালিকা তৈরি করেছে, যেগুলো তাদের মতে কুফুরী। এগুলোর কোন একটা পাওয়া গেলেই সে কাফের বা মুরতাদ। তাদের নির্ধারিত এই কর্মগত কুফর যদিও তাদের একান্ত নিজস্ব ইজতিহাদ হোক। তাদের মতে যেহেতু কুফুরী, এজন্য যার মধ্যে এই কর্মগত কুফুরী পাওয়া যাবে তাকে তারা মুরতাদ মনে করে হত্যা করবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা মুরতাদের উপর হুজ্জত কায়েমের কথা বললেও শুধু তাদের বক্তব্য পৌঁছে যাওয়াকেও তারা যথেষ্ট মনে করে। এজন্য তারা নির্বিচারে প্রতিপক্ষকে তাদের কর্মগত কুফুরীর কথা বলে হত্যা করে থাকে।

৩। কর্মগত কুফুর নির্ধারণের যেহেতু বিশেষ কোন মানদন্ড তাদের কাছে নেই এজন্য তারা যে কাউকে যে কোনভাবে কর্মগত কুফরের অভিযোগ করে তাকফিরের সীমাহীন সুযোগ পেয়ে যায়। চাইলেও যে কাউকে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে কর্মগত কুফরের অভিযোগ এনে হত্যা করা যায়। যদিও কারণটি শরীয়াতের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য হোক বা না হোক।

আধুনিক সময়ে কর্মগত কুফরের কথা বলে হত্যাযজ্ঞের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী হয়েছে ইবনে আব্দিল ওয়াহহাবের হাত ধরে। এই কট্রর খারেজী সেসময়ের প্রচলিত কিছু আমলকে কর্মগত কুফর ও শিরক সাব্যস্ত করে তার দলবল ছাড়া মক্কা-মদিনাসহ পুরো মুসলিম বিশ্বকে তাকফির করে। তার মতে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কর্মগত কুফুর বা শিরক হলো,

১। মৃত বা অনুপস্থিত ব্যক্তির কাছে ইস্তিগাছা করা। ( তার মতে, এটি সরাসরি কর্মগত কুফর। এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি মুরতাদ হয়ে যাবে। )

২। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে শাফায়াত বা সুপারিশের আবেদন করা। এটি চার মাজহাবের স্বীকৃত আমল হলেও নজদীর কাছে এটি কর্মগত কুফর।

৩। উপরের দু'টি কর্মগত কুফরের কারণে যারা মুরতাদ হয়েছে, তাদেরকে কাফের ও মুরতাদ মনে না করা কিংবা তাদের পক্ষ হয়ে তাদেরকে কোন ধরণের সাহায্য - সহযোগিতা করা।

এধরণের কর্মগত কুফরের উপর সে নাওয়াকিদুল ঈমান বা ঈমান ভঙ্গের কারণ নাম দিয়ে বইও লিখিছে। বর্তমান দা=য়েশ, বো=কো হা=রাম, কা=য়=দা সহ সকল নজদী-খারেজী দর্শনের মূল হলো ইবনে আব্দিল ওয়াহহাব নজদীর এই তাকফীর দর্শন।

বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযায়ী নজদীর অনুসারীরা তাকফিরের জন্য নিচের বিষয়গুলো বেছে নিয়েছে,

১। আল্লাহর আইন ছাড়া অন্য কোন আইনে বিচার করা। এটি তাদের মতে কর্মগত কুফর। এর মাধ্যমে ব্যক্তি সরাসরি কাফের হয়ে যাবে। আল্লাহর আইন ছাড়া বিচারের ক্ষেত্রে প্রচলতি রাষ্ট্রযন্ত্রের যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, তারা এদের মতে মুরতাদ। আবার যারা বুঝে-শুনে গণতান্ত্রিক ভোট ইত্যাদিতে অংশগ্রহণ করে তারাও মুশরিক ও মুরতাদ।

২। আল্লাহর আইন ছাড়া অন্য আইনের কাছে বিচার নিয়ে যাওয়া বা বিচার চাওয়া। এটিও কর্মগত কুফর। তাদের তাহাকুম ইলাত তাগুত বা তাগুতের কাছে বিচার চাওয়াও কর্মগত কুফর।

৩। মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত কাফের বা মুরতাদকে যে কোন প্রকার সাহায্য করাও কর্মগত কুফর। এর মাধ্যমে সাহায্যকারী ব্যক্তিও মুরতাদ হয়ে যাবে। বর্তমানে তারা উপরের মূলনীতির আলোকে প্রায় সকল মুসলিম দেশ ও তাদের শাসকদেরকে কাফের বা মুরতাদ ঘোষণা করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছে। এখন কেউ যদি তাদের এই ঘোষিত যুদ্ধের বিপরীতে এসে তাদের ঘোষণা দেয়া মুরতাদ বা কাফের শাসকদের পক্ষ নেয় কিংবা যে কোন ধরণের সাহায্য করে, তাহলে সেও মুরতাদ হয়ে যাবে।

এগুলো মোটামুটি তাদের দর্শনের সারকথা। এই দর্শনের বাস্তবায়নে এসে বেশ কিছু ঝামেলা শুরু হয়। সেখান থেকে শুরু হয় উভয় সংকট। যেই উভয় সংকটের কারণে বর্তমানের খারেজী দলগুলো নিজেরাই দলে দলে বিভক্ত হয়ে একে অপরকে কাফের আখ্যা দিয়ে নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু করে। এই উভয় সংকট বোঝার জন্য আমাদেরকে একটু গোড়ায় যেতে হবে।

প্রথমত: আল্লাহর আইন ছাড়া প্রচলিত সকল মুসলিম রাষ্ট্র ও তার প্রধানকে বি=ন লা=দেন ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো নাম ধরে ধরে তাকফির করে।

দ্বিতীয়ত: নাইন ইলাভেনের পর আ=মেরিকা পুরো বিশ্বকে সাথে নিয়ে আফ=গানি=স্তানে আক্রমণ করে। এক্ষেত্রে ওয়ান ওন টেরর বা সন্ত্রাস-বিরোধী যুদ্ধে বহু মুসলিম দেশের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা ছিলো।

উপরের দু'টি বিষয়কে উপলক্ষ্য বানিয়ে তাকফিরের বাজার আবার গরম হয়। বি=ন লা=দেন সহ কা=য়দ-ার মত হলো, মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত কাফেরকে যে কোন প্রকার সাহায্য করা সরাসরি কর্মগত কুফর। এজন্য যারা আমে=রিকাকে সাহায্য করেছে, তারা কাফের ও মুরতাদ। বিশেষ করে, এই নীতির প্রয়োগ হয় পাকি=স্তানের সরকারের উপর। কারণ, পাকি=স্তানের ভূমি, সেনা=বাহিনী ও গোয়ে=ন্দা সংস্থা সরাসরি আ=মেরিকাকে সহযোগিতা করেছিল। বিশেষ করে আফ=গান পা=ক সীমান্তে অবস্থানরত তা=লিবান ও কা=য়দার সদস্যদেরকে গ্রেফতার করে আমেরিকার হাতে তুলে দেয়া, বিভিন্ন সময় সেনা অভিযান চালান, ড্রোন আক্রমণে সহযোগিতা করা ইত্যাদি কারণে পাকি=স্তান সরকার ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো তাকফিরের নীতিমালা অনুযায়ী মুরতাদ সাব্যস্ত হয়। পাকিস্ত=ান সরকার, সেনাবাহিনী ও তাদের প্রশাসনের মুরতাদ হওয়ার মূল কারণ ধরা হয় দু'টি।

১। আল্লাহর আইন ছাড়া ভিন্ন আইনে দেশ পরিচালনা করা।

২। মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত কাফেরকে সাহায্য করা (মুজাহারা)

বি=ন লা=দেন, জ=ওয়াহেরী, আবু=ইয়াহইয়া আল-লিবিসহ কায়দার সিনিয়র লিডাররা বহু আগে থেকেই পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিকে মুরতাদ বলে আসছিল উপরের দু'টি কারণে।

এ পর্যন্ত সবই ঠিক ছিলো। কিন্তু মূল সংকট দেখা যায়, মুরসী মিশরে সরকার প্রধান হওয়ার পর। মুরসী সরকারের ক্ষেত্রেও মুরতাদ হওয়ার নিচের কারণগুলো ছিলো,

১। আল্লাহর আইন ছাড়া দেশ পরিচালনা করা। গণতন্ত্র ইত্যাদিতে অংশ নেয়া।

২। সিনাই অঞ্চলে দা=য়েশসহ মুজাহিদীনরা শরীয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই শুরু করলে তাদেরকে কঠোরভাবে দমন করা। এমনকি মুরসী নিজে সেসব অঞ্চল দেখতে যায়।

৩। মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত দেশগুলোকে সাহায্য করা (ইজ=রাইল ও আমেরিকা)।

উপরের তিনটি মূলনীতির কারণে মুরসী ও তার সরকারকেও মুরতাদ আখ্যা দেয়ার দরকার ছিলো যেমন পাকিস্তান সরকারকে আগে করা হয়েছে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে মুরসীর সাথে জ=ওয়াহেরীর কিছু নেগোসিয়েশান বন্দীদের মুক্তিসহ আরও কিছু বিষয়ে। এজন্য জ=ও=য়াহেরী তাকফিরের কারণ বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও এবং একই কারণে পাকিস্তানকে মুরতাদ আখ্যা দিলেও মুরসীকে মুরতাদ আখ্যা দেয়া থেকে বিরত থাকে।

উল্টো দিকে সিনাই অঞ্চলে দা=য়েশের উপর মুরসীর আক্রমণের ফলে দা=য়েশ আরও ক্ষিপ্ত হয়ে মুরসীকে তাকফির না করার কারণে জও=য়াহেরীর উপর চড়াও হয়। কারণ, ইবনে আব্দিল ওয়াহহাবের ঈমান ভঙ্গের কারণের মধ্যেও এটিও রয়েছে যে, কাফেরকে কাফের মনে না করাও কুফুরী। এখন মুরসী যদি উপরের কর্মগত কুফুরীর কারণে মুরতাদ হয়ে থাকে, তাহলে মুরসীর মতো কাফেরকে কাফের মনে না করার কারণে জা=ওয়াহেরীর মানহাজ ও ঈমান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। তাকফিরের যোগ্য ব্যক্তিকে তাকফির না করার কারণে জা=ওয়াহেরীকে মুরজিয়া বলা শুরু হয়।

সংকট এখানেই শেষ নয়। হামাস প্রধান আহমাদ ইয়াসীন ও তার দল মূলত: গণতান্ত্রিক। আর কা=য়=দাসহ তাদের সহযোগী দলগুলোর কাছে গণতন্ত্র করা কর্মগত কুফর। এই কর্মগত কুফরে অংশ নেয়া কিংবা সমর্থন দেয়ার কারণে হামাসের তাকফির হওয়া উচিৎ। অথচ কা=য়=দার সিনিয়র লিডার আতি=য়াতুল্লাহ আল-লিবি আহমাদ ইয়াসীনের পক্ষে কথা বলেছেন। এটা নিয়ে এক পর্যায়ে দা=য়েশের হাজেমী গ্রুপ আতি=য়াতুল্লাহ সহ অনেককে তাকফির করে।

ঘটনা এখানেই শেষ নয়। দা=য়েশের আরেকটি বড় অভিযোগ হলো, মো=ল্লা ওমর মূলত: ওতানী বা জাতীয়তাবাদী লোক। বিশেষ করে, মো=ল্লা ওমর তার জীবদ্দশায় জাতিসংঘের সদস্যপদ পাওয়ার জন্য কনস্যুলেট খোলাসহ নানা চেষ্টা তদবির চালিয়েছিল। তাছাড়া আফ=গানিস্তানের বাইরে তালি=বানের কোন এজেন্ডা নেই, ইত্যাদি বক্তব্যের মাধ্যমে তাদের ওলা-বারার ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। তাহলে কি তা=লি-বান জাতীয়তাবাদী দেশের সীমা-রেখায় বিশ্বাসী? তাছাড়া সম্প্রতি চী=নের উই=ঘুর মুসলমানদের দমন-পীড়নের কথা সবাই জানে। মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত এরকম দেশের সাথে আ=ফ=গানের খনিজ পদার্থ উত্তোলনের জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সম্পাদন করাও কর্মগত কুফুরী। কারণ, আমরা উপরে উল্লেখ করেছি, বি=ন লাদেনসহ নজদীদের মতে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত কাফেরকে যে কোন প্রকারের সাহায্য করা কুফুরী। খাবার রান্না করে খাওয়ান বাবুর্চী থেকে শুরু করে, বিভিন্ন কোম্পানী, অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান সকলেই এই তাকফিরের অধীন। সেই হিসেবে চীনের সাথে সহযোগিতার কারণে তাকফিরের নীতি অনুযায়ী তা=লি=বানদের মুরতাদ হওয়ার কথা।

কিন্তু কা=য়=দার সাথে তা=লিব=দের একটা আন্ত:সম্পর্ক থাকায় তারা উপরের তাকফিরের নীতি প্রয়োগ থেকে বিরত থাকে। ফলে এক্ষেত্রেও দা=য়েশ কা=য়দাকে এক হাত নেই তাদের মুরজিয়া নীতির কারণে। দা=য়েশ থেকে তা=লিবানদের তাকফির করে বিভিন্ন বই-পুস্তকও লেখা হয়। উল্টো দিকে কা=য়দ=ার সমর্থক আবু মু=হা=ম্মাদ মাকদেসী, হানী সি=বাঈ সহ অন্যরা দা=য়েশ খারেজী আখ্যা দিয়ে উপরের তা=কফিরী উসূলের প্রয়োগকে ভুল আখ্যা দিতে থাকে। অথচ এরাই আবার অন্যদের ক্ষেত্রে উপরের উসূলই প্রয়োগ করে থাকে যখন প্রয়োজন হয়।

এভাবে তাকফিরের উসূলকে নিয়ে নজদী - খারেজী গ্রুপগুলোর মধ্যে বড় রকম সংকট তৈরি হয়েছে। পরিণতি হিসেবে মুসলমানদের মধ্যেই চলছে সীমাহীন রক্তপাত। উপরের তাকফিরের উসূলের কারণে দা=য়েশ আ=ফগানিস্তানে তালি=বদের মসজিদে ও মাদ্রাসায় বোমা মেরে তালি=বদের হত্যা করছে। অন্য দিকে তা=লিবদের অঙ্গ সংগঠন হিসেবে পরিচিত তে=হ=রিকে তা=লিবান পাকিস্তানের সরকারকে মুরতাদ আখ্যা দিয়ে জায়গায় জায়গায় বোম মেরে মানুষ মারছে। এই তাকফিরী রক্তের হোলি - খেলা শেষ হওয়ার কোন লক্ষণ নেই। দিন যতো যাবে এগুলো হয়ত আরও বাড়বে। তবে খারেজী - গোষ্ঠীগুলো যেভাবে নিজেদের মধ্যে তাকফির করে করে জি=হা=দের নামে তাকফিরী-সার্কাস শুরু করেছে, এতে নিজেদের একদলই আরেকদলের ধ্বংসের কারণ হবে। মধ্যখান থেকে সাধারণ মুসলামন, তাদের জান-মাল ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আল্লাহ তায়ালা উম্মতকে নজদের - খারেজী নির্বোধদের ফেতনা থেকে হেফাজত করুন।

------ ------

এই বিষয়ে আরও জানতে চান?

আমাদের ইফতা বিভাগে সরাসরি প্রশ্ন করুন। অভিজ্ঞ মুফতিগণ আপনার ব্যক্তিগত প্রশ্নের উত্তর দেবেন — সম্পূর্ণ গোপনীয়তা ও নির্ভুলতার সাথে।

নির্ভরযোগ্য গোপনীয় দ্রুত উত্তর

মন্তব্য 0

আপনার মন্তব্য জানান
এখনো কোনো মন্তব্য নেই
প্রথম মন্তব্যকারী হোন! আপনার মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান।

লেখকের আরো ব্লগ

আক্বিদা

সালাফী আক্বিদা কেন বাতিল এবং সালাফীরা কেন পথভ্রষ্ট?

ইজহারুল ইসলাম · 14 মার্চ, 2026 · 72
আক্বিদা

মিলাদ ইত্যাদি নিয়ে এতো এতো প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে, এটা ছেড়ে দিলে সমস্যা কোথায়?

ইজহারুল ইসলাম · 14 মার্চ, 2026 · 79
ফিকহ

তারাবীর নামাযের ইমামতির হাদিয়া গ্রহণ: শরয়ী দৃষ্টিকোণ

ইজহারুল ইসলাম · 13 মার্চ, 2026 · 685
আক্বিদা

ইবনে উমর রা: এর শানে ইবনে তাইমিয়ার বেয়াদবি ও শিরকের অপবাদ (১ম পর্ব)

ইজহারুল ইসলাম · 30 জুন, 2023 · 83